বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এই মুহূর্তে সংসদ থেকে পদত্যাগ করছে না। বরং সংসদকে কার্যকর রেখে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে এই সনদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতাকারীদের বিরুদ্ধে রাজপথেও কঠোর অবস্থান নেবে দলটি।
আইএফইএস প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর দলীয় কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস)-এর একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম মিলন।
প্রধান অভিযোগ ও শঙ্কা
বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে সাইফুল আলম মিলন বলেন, “সরকার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।” তিনি আইএফইএস প্রতিনিধিদের সাথে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সংসদকে শক্তিশালী করার পরামর্শ
বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইএফইএস প্রতিনিধি দল সংসদ সদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ও সরকার প্রধানের ভূমিকা
সাইফুল আলম মিলন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের জবাব খোদ সরকারপ্রধানের দেওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। সরকারপ্রধান নীরব থেকে অন্য কাউকে দিয়ে জবাব দেওয়ানোয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা বা ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে কোনো রকম টালবাহানা বরদাশত করা হবে না। জামায়াত সংসদ ও রাজপথ—উভয় জায়গাতেই জনগণের অধিকার আদায়ে সক্রিয় থাকবে।




