ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দ্বিতীয় ধাপে শপথ গ্রহণ করেছেন।
তারা সংসদ সদস্য হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
দুপুর ১২টার পর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নিজে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকালে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন, কিন্তু তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেননি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।”

জামায়াতের এক শীর্ষ নেতা আগে শপথ না নেওয়ার কথা বললেও, পরে জোটের নির্বাচিতরা দুটি শপথই গ্রহণ করেন। এটি বিএনপির অবস্থানের পরও জামায়াত জোটের স্বাধীন সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ সংসদের শপথ প্রক্রিয়া শপথ গ্রহণ তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে বিএনপির সদস্যরা (সকাল সাড়ে ১০টায়) শপথ নেন। দ্বিতীয় ধাপে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট (৬৮টি আসন এককভাবে জামায়াত, জোটগতভাবে আরও কয়েকটি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা শপথ নেন। পরবর্তী ধাপে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্রদের শপথ হবে।
এই নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়েছে। জামায়াত এখন সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া জামায়াত জোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা সংস্কারবিহীন সংসদকে অর্থহীন মনে করে।
এই শপথের মাধ্যমে ত্রয়োদশ সংসদের যাত্রা আরও এগিয়ে গেল। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। দেশবাসী নতুন সংসদের সংস্কার ও কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে আছে।




