দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাস জীবন শেষে স্বদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।
সেখানে তারেক রহমান স্পষ্ট জানান, যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে এবং কারো প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না।
ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার ডাক
মঞ্চে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন:
“আমরা শান্তি চাই। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারো উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না। ‘৭১ সালে দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে, ঠিক সেভাবেই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন তাদের কথা বলার অধিকার এবং গণতন্ত্র ফিরে পেতে চায়। তিনি একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন যেখানে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে নারী, পুরুষ ও শিশু সবাই নিরাপদে থাকবে।
মাটি ছুঁয়ে আবেগঘন মুহূর্ত
দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার আগে তিনি জুতা খুলে নিজের দেশের মাটিতে পা রাখেন এবং একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ সময় পর প্রিয় জন্মভূমিতে ফেরার এই দৃশ্য সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।
বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা
তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমান। বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সিনিয়র নেতারা। এরপর একটি বিশেষ লাল-সবুজ বাসে চড়ে তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান।




